শাহজালাল বিমানবন্দরে হবে বিকল্প রানওয়ে


হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ফাইল ছবি ২০২৪ সালে যাত্রীদের ব্যবহারের উপযোগী হবে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল। বিদ্যমান একমাত্র রানওয়ে দিয়ে টার্মিনালটির পূর্ণ ব্যবহার সম্ভব হবে না। এ অবস্থায় বাড়তি ফ্লাইটের চাপ সামাল দিতে আরেকটি বিকল্প রানওয়ে নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে এটি স্বাধীন রানওয়ে হবে না, হবে ডিপেনডেন্ট রানওয়ে। এরই মধ্যে নতুন রানওয়ের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শুরু করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

বেবিচক সূত্র বলছে, জায়গার সংকট থাকায় শাহজালাল বিমানবন্দরে নতুন আরেকটি পূর্ণাঙ্গ রানওয়ে করা সম্ভব নয়। কারণ, ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশনের (আইকাও) নির্দেশনা অনুযায়ী, পাশাপাশি দুটি রানওয়ের মধ্যে অন্তত ৭৫০ ফুট দূরত্ব থাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

শাহজালাল বিমানবন্দরে সে পরিমাণ জায়গা না থাকায় বাড়তি ফ্লাইটের চাপ সামলাতে ডিপেনডেন্ট রানওয়ে নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়েছে।তবে একই সময়ে মূল রানওয়ে এবং ডিপেনডেবল রানওয়েতে উড়োজাহাজ ওঠা-নামা করার সুযোগ নেই। মূল রানওয়েতে যখন ফ্লাইট ওঠা-নামা করবে, সে সময় ডিপেনডেবল রানওয়েতে ফ্লাইট উড্ডয়নের জন্য অপেক্ষা করবে।

বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, তৃতীয় টার্মিনাল পুরোপুরি চালু হলে বছরে দুই কোটি যাত্রী শাহজালাল বিমানবন্দর ব্যবহার করতে পারবে। আর এ জন্য বাড়বে ফ্লাইটের সংখ্যাও। তবে বিদ্যমান একটি রানওয়ে দিয়ে বাড়তি ফ্লাইটের চাপ সামাল দেওয়া কঠিন হবে। এ জন্য আরও একটি রানওয়ে নির্মাণ হবে। এরই মধ্যে সমীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে।তৃতীয় টার্মিনালের নির্মাণকাজ শেষ হলে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

জানা গেছে, বর্তমানে দেশি-বিদেশি ৩৩টি এয়ারলাইনস ফ্লাইট পরিচালনা করছে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। বিদ্যমান একটি রানওয়ে ব্যবহার করে প্রতিদিন গড়ে ১৫০টি ফ্লাইট ওঠা-নামা করছে। ফলে প্রায় পিক আওয়ারে একই সময়ে একাধিক ফ্লাইট থাকলে টেক অফের জন্য উড়োজাহাজগুলোকে সিরিয়াল ধরে অপেক্ষা করতে হয়। অন্যদিকে ল্যান্ডিংয়ের অনুমতি না পেলে আকাশে গো অ্যারাউন্ড করতে হয়। এতে এয়ারলাইনসগুলোর জ্বালানি খরচ যেমন বাড়ে, তেমনি ফ্লাইট শিডিউল ঠিক রাখতেও বেগ পেতে হয়।

এ নিয়ে সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে নভোএয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মফিজুর রহমান বলেন, ফ্লাইটের চাপ বাড়ায় অনেক সময় একটি ফ্লাইট টেক অফ করতে গিয়ে ৩০ মিনিট পর্যন্ত ট্যাক্সিতে অপেক্ষা করতে হয়। অবতরণের সময়ও অনেক সময় অপেক্ষা করতে হয়। এতে এয়ারলাইনসগুলোর জ্বালানি খরচ বাড়ে। দ্বিতীয় রানওয়ে হলে এ পরিস্থিতির উন্নতি হবে।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back To Top