রুতুরাজের সঙ্গে বিয়ে করে কি কেরিয়ার শেষ হয়ে গেল? কী বললেন ক্রিকেটার উৎকর্ষা?


রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের স্ত্রী উৎকর্ষা পাওয়ার হলেন মহারাষ্ট্র তথা ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটের একটি উজ্জ্বল নাম। তবে এখন প্রশ্ন হল, উৎকর্ষার ক্রিকেট কেরিয়ার কি রুতুরাজকে বিয়ে করে নষ্ট হয়ে গেল। এখন নানা জায়গায় এই প্রশ্নটাই ঘুরছিল। তবে এবার এই বিষয় নিয়ে মুখু খুললেন রুতুরাজের ক্রিকেটার স্ত্রী। উৎকর্ষা বলেছেন যে ভবিষ্যতে ক্রিকেটার হিসাবে তাঁর ক্যারিয়ারে বিয়ে কোনও বাধা হবে না। তিনি এখনও টিম ইন্ডিয়ার হয়ে খেলার চেষ্টা করছেন এবং আশা করা হচ্ছে যে তিনি শীঘ্রই নিজের এই স্বপ্ন পূরণ করবেন। একটি মারাঠি পডকাস্টে সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে, উৎকর্ষ পাওয়ার বলেছেন যে যতক্ষণ আমি চাই এবং যতক্ষণ আমার শরীর আমাকে অনুমতি দেবে ততক্ষণ আমি ক্রিকেট খেলে যাব। কেউ এটা সম্পর্কে ২০০ শতাংশ নিশ্চিত হতে পারেন। অর্থাৎ বিয়ের জন্য তাঁর ক্রিকেট কেরিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

রুতুরাজ গায়কোয়াড় ৩ জুন পুনেতে উৎকর্ষকে বিয়ে করেন। উৎকর্ষ ২০১৫-১৬ সালে মহারাষ্ট্রের হয়ে তাঁর ক্রিকেট কেরিয়ার অভিষেক করেছিলেন। তিনি ৩৯টি লিস্ট এ ম্যাচে ২৮টি উইকেট এবং ৪৫টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ২৬টি উইকেট নিয়েছেন। নিজের কেরিয়ার প্রসঙ্গে উৎকর্ষা বলেন, ‘এখন আমি বিবাহিত, আমাকে বারবার আমার কেরিয়ার নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। পরিবার নয়, শুধু বাইরের লোকজনই এ নিয়ে চিন্তিত বলে মনে হচ্ছে। আমার পরিবার আমার পাশে রয়েছে। রুতুরাজের পরিবার খুব সহায়ক, আমাদের আত্মীয়রাও সাহায্য করে। কিন্তু প্রশ্নটা আসে বাইরে থেকে।’

উৎকর্ষ বলেছেন যে, ‘আমার বাবা-মা, স্বামী রুতুরাজ গায়কোয়াড় এবং আমার শ্বশুরবাড়ির আমার ক্রিকেট খেলার বিষয়ে পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। আমি যতক্ষণ চাই এবং যতক্ষণ সম্ভব ক্রিকেট খেলতে থাকব। কারণ আমার জীবন ক্রিকেটকে ঘিরে।’ উৎকর্ষা বলেন, ছোটবেলায় জাহির খানকে অনুসরণ করতেন তিনি। তাকে দেখেই বাবা অমর তাঁকে প্রশিক্ষক আনোয়ার শেখের কাছে প্রশিক্ষণ দেন। যদিও তিনি এই সময়ে সাঁতার, ব্যাডমিন্টন এবং ফুটবলও খেলেন, তবে অবশেষে তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে ক্রিকেটই তাঁর আবেগ।

অন্যদিকে, ধোনি সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে, উৎকর্ষা বলেছেন যে, ‘মহেন্দ্র সিং ধোনির বিষয়টা একেবারেই আলাদা। আপনি যখন তাঁর সঙ্গে দেখা করেন, আপনি তাঁকে স্যার বলে ডাকেন… কিন্তু তিনি এত নম্র এবং ডাউন টু আর্থ সেটা অবিশ্বাস্য। আইপিএল ফাইনালের পরই আমি তাঁর সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পেয়েছি। তাঁর হাস্যরসের একটি দুর্দান্ত অনুভূতি রয়েছে এবং তিনি নিজের চারপাশকে হালকা রাখার চেষ্টা করে। তিনি সকলের সঙ্গে পরিবারের একজনের মতো আচরণ করেন। আমরা প্রায় ২ মাস ধরে রাস্তায় ছিলাম কিন্তু তিনি সবসময় আমাদের বাড়ির পরিবেশ অনুভব করিয়েছে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back To Top