জায়েদা খাতুনের গাড়িতে হামলা, ভাংচুরের অভিযোগ


গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী জায়েদা খাতুনের নির্বাচনী প্রচারে তার গাড়িতে হামলা ও ভাংচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের গোপালপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জায়েদা খাতুনের নির্বাচনের প্রধান সমন্বয়ক ও তার ছেলে সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার মা জায়েদা খতুয়া টেবিল ঘড়ি মার্কার প্রচারণায় টঙ্গীর ৪৩ ও ৪৪ নং ওয়ার্ড এলাকায় যান। এ সময় মায়ের সঙ্গে আমিও ছিলাম। এমন সময় আজমত উল্লার ক্যাডাররা, তার সন্ত্রাসী বাহিনী লেলিয়ে দিয়ে আমার ৭০ বছর বয়সী মায়ের ওপর হামলা করেছে। আমার মা এবং আমার ওপর প্রথমে ইট মেরেছে। আমার মাকে হত্যার নীল নকশা এঁকেছে।’

তিনি বলেন, ‘আপনারা দেখেন তারা কীভাবে হামলা করেছে, আল্লাহর রহমতে বেঁচে রয়েছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সরকার এবং নির্বাচন কমিশনারের কাছে জানতে চাই এটা কি ভোট। একজন প্রার্থীকে হত্যা করার চেষ্টা করছে প্রচারণার সময়।’

জাহাঙ্গীর আলম আরও বলেন, ‘আমাদের আশপাশে যারা ছিল, সবাইকে মারধর করা হয়েছে। এভাবে তো ভোট হতে পারে না, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা হতে পারে না। নির্বাচনের অধিকার সবার রয়েছে। আমার মা একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছে, তার প্রতি এতো ক্ষোভ কেন? আমার প্রতি ক্ষোভ আপনাদের থাকতে পারে, আমাকে মেরে ফেলেন সমস্যা নেই। কিন্তু আমার বৃদ্ধ মাকে মারবেন না।’

এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘হামলার বিষয়ে শুনেছি, কিন্তু আমাদের কাছে ওই প্রার্থী কোনও লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘নিয়ন অনুযায়ী প্রার্থী গণসংযোগের ২৪ ঘণ্টা আগে সংশ্লিষ্ট থানায় জানাতে হবে। তবে, টেবিল ঘড়ির প্রার্থী আগে কিছু জানায়নি।’

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রত্যেক প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণার সমান অধিকার রয়েছে। যদি কোথাও হামলা বা ভাংচুরের ঘটনা ঘটে তবে সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ বা মামলা করলে ব্যবস্থা নিবে।’





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back To Top