চট্টগ্রাম-১০ আসনে কে পাচ্ছেন নৌকার টিকিট?


চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং, পাহাড়তলী ও হালিশহর) আসনের উপনির্বাচনে কে হচ্ছেন আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থী—তা নিয়ে এলাকায় আলোচনা শুরু হয়েছে।  এই আসনে দলীয় একাধিক নেতা মনোনয়ন চাচ্ছেন।  তবে দল কাকে মনোনয়ন দেবে, তা নিয়ে চলছে কর্মী-সমর্থকদের বিশ্লেষণ।  ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগ থেকে অনেকের নাম শোনা যাচ্ছে।  তবে বিএনপি কিংবা অন্য রাজনৈতিক দলের নেতাদের তেমন তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, এই আসনে প্রার্থী হতে চান চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু, যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ মাহমুদ ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. আফছারুল আমীনের ছোট ভাই এরশাদুল আমীন।  তবে আরও কেউ দলীয় মনোনয়ন চাইতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে।  এখনও তাদের নাম চূড়ান্ত করা হয়নি। 

এ প্রসঙ্গে ফরিদ মাহমুদ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে সাধারণ মানুষের নানা সংকটে কাজ করছি।  সবসময় সংগঠনের ভাবমূর্তি যেন উজ্জ্বল হয়, সেই চেষ্টা করেছি।  দেশের জনগণের ভাগ্য উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি অর্জনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিনরাত কাজ করছেন।  তিনি কাকে কোথায় মনোনয়ন দেবেন, তা তিনিই ভালো জানেন।  যোগ্য মনে করলে আমাকে দেবেন, না হয় অন্য কাউকে দেবেন।  তবে আমি প্রার্থী হতে চাই।’

দলীয় মনোনয়ন চাওয়ার বিষয়ে মহিউদ্দিন বাচ্চু বলেন, ‘আমি আগেরবারও এই আসন থেকে মনোনয়ন চেয়েছিলাম।  এবারও মনোনয়ন চাইবো।  তবে নেত্রী আমাকে এবার মনোনয়ন দেবেন বলে আশা করছি।’

এরশাদুল আমীন বলেন, ‘আমার বড় ভাই দীর্ঘদিন ধরে এই আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।  ফলে আমি এই আসনে প্রার্থী হতে চাই।  আমি চাইবো, আমার পরিবারের কাউকে যেন মনোনয়ন দেওয়া হয়।  তবে আমাদের পরিবার থেকে একজনই মনোনয়ন চাইবেন  কে চাইবে তা আমরা পারিবারিক বসে ঠিক করবো। ’

চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আফছারুল আমীনের মৃত্যুতে এই আসন শূন্য হয়।  এখানে উপনির্বাচন হবে আগামী ৩০ জুলাই।  বৃহস্পতিবার তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।  আগ্রহী প্রার্থীরা ৪ জুলাই পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিল করতে পারবেন।  মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ৬ জুলাই।  মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা যাবে ১২ জুলাই পর্যন্ত।  ১২ জুলাই প্রতীক বরাদ্দ।  ৩০ জুলাই ইভিএমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

পরিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ডা. আফছারুল আমীনের ফুসফুসে ক্যানসার ধরা পড়ে।  তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ছিলেন।  চট্টগ্রাম-১০ আসনে ১৯৯৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত পর পর পাঁচবার সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন।  এর মধ্যে ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।  নৌপরিবহন ও পরে প্রাথমিক ও গণ শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।  ক্যানসার ধরা পড়ার পর সিঙ্গাপুর থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন।  তিনি চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।

 





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back To Top